৮ দফা দাবী আদায়ে ছাত্রলীগের গণ সংগীত ও গণ বিজ্ঞপ্তি পাঠ

    0
    1

    BSL 2চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের সাধারণ শিার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত সহ কলেজ ক্যাম্পাসে দীর্ঘ তিন দশকের উগ্র মৌলবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর চলমান সকল অপকর্ম ও নৈরাজ্য নিমূর্লে ৮ দফা দাবী আদায়ে সাপ্তাহিক কর্মসূচির ৪র্থ দিনে চট্টগ্রাম কলেজ ক্যাম্পাসে গণ সংগীত ও গণ বিজ্ঞপ্তি কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ। এরই মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩০ বছর চট্টগ্রাম কলেজে গণ স্গংীতের মত কোন সংগীতানুষ্ঠান পালন করা হয়। আজ সকাল ১১ ঘটিকায় চট্টগ্রাম কলেজ ক্যাম্পাসে গণ সংগীত পরিবেশন করেন আওয়ামী সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী। বেলা ১.৩০ মিনিটে গণ বিজ্ঞপ্তি পাঠ করেন চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর যুবলীগ নেতা নূর মোস্তফা টিনু, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা পাভেল ইসলাম, নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, সহ-সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত কচি, এম কাইসার উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদ রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সদস্য কামরুল হুদা পাভেল, মোস্তফা কামাল।
    চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল করিমের সভাপতিত্বে ও ওবায়দুল হকের সঞ্চালনায় গণ সংগীত ও গণ বিজ্ঞপ্তি কর্মসূচিতে গণ বিজ্ঞপ্তি পাঠকালে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ বিরোধী সন্তোষজনক প্রোপট ও অবস্থান স্বত্বেও ুব্ধ ও দুঃখ ভারাক্রান্ত চিত্তে বলতে হচ্ছে যে, চট্টগ্রামের দুটি ঐতিহ্যবাহী সরকারি শিা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ প্রায় তিন যুগ ধরে স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবির ও জঙ্গীবাদে র দুর্ভেদ্য ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। এখানে সাধারণ শিক কর্মচারীদের অস্ত্রের ভাষায় জিম্মি করে জামাত শিবিরের ক্যাডাররা একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। ছাত্রবাস গুলো বহিরাগত জঙ্গীবাদীদের ঘাঁটিতে পরিণত করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ অস্ত্র বিস্ফোরক ও গোলা বারুদ মজুদ করেছে। যা ইতিপূর্বে আইন শৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর হাতে বিভিন্ন সময়ে উদ্ধারকৃত একে২২ এর মত ভারি অস্ত্র সহ বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারের মাধ্যমে প্রমাণ মিলে। বিগত ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ ৩০ বছর পর ছাত্রলীগ কলেজ ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডাররা মুর্হমুহ গুলিবর্ষণ সহ হামলা চালায়। পরবর্তী সময়ে সমগ্র চট্টলার ছাত্রলীগের প্রতিরোধের মুখে শিবির ক্যাডাররা পিছু হটলে আজ পর্যন্ত ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে তার অবস্থান ধরে রেখেছে। নগর ছাত্রলীগ ইতিপূর্বে শিবির তথা জঙ্গীগোষ্ঠীকে বিতাড়িত করতে বিভিন্ন দাবী প্রধানমন্ত্রীর বরাবর তুলে ধরেছি। যা সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বিস্তারিত তথ্য আপনাদের অবহিত করে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করছি। আজ সময়ের দাবী এই দুটি শিা প্রতিষ্ঠানকে সশস্ত্র শিবির ক্যাডারদের হাত থেকে রা করে জঙ্গীবাদমুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও চেতনার চর্চার কেন্দ্র হিসেবে মুক্তবুদ্ধি চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার। তা না হলে সারা জাতির জন্য ঐতিহ্যবাহী এই দুটি ক্যাম্পাস থেকে অশনি সংকেত নেমে আসবে।
    দাবী সমূহ হল: ১। কলেজ ক্যাম্পাসে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ করতে হবে, ২। মূল ফটক ব্যাতীত সকল গেইট বন্ধ রাখতে হবে, ৩। ক্যাম্পাসের ভিতরে কোন আবাসিক স্থাপনা থাকতে পারবে না, ৪। হেস্টেল সুপার ও মসজিদের ইমামকে অপসারণ করতে হবে, ৫। অস্থায়ী ও খন্ডকালীন কর্মচারীদের অপসারণ ও ক্যাম্পাসে বিদ্যমান দোকান বন্ধ করতে হবে, ৬। তিন দশক ধরে ছাত্র সংসদের নামে আদায়কৃত অর্থের হিসাব সাধারণ শিার্থীদের দিতে হবে এবং ছাত্র সংসদের নামে অর্থ আদায় বন্ধ করতে হবে, ৭। ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাসের নামে গড়ে উঠা শিবির ক্যাডার ও জঙ্গীগোষ্ঠীর অস্ত্রের মজুদখানা হিসেবে পরিচিত মিনি ক্যান্টনমেন্টগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে, ৮। নাশকতা ও অস্ত্র আইনের মামলার আসামী ছাত্রদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে এবং চার্জভূক্ত চিহ্নিত শিবির ক্যাডারদের ছাত্রত্ব বাতিল করতে হবে।
    উক্ত গণ বিজ্ঞপ্তি পাঠ কর্মসূচির থেকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম কলেজ এবং হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের জামাত শিবিরের মদদপোষ্ট কিছু শিকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেন। তারা হলেন- চট্টগ্রাম কলেজের শিক মোজাম্মেল হক-সহযোগী অধ্যাপক পর্দাথবিদ্যা বিভাগ, মো: সাইফুল্লাহ চৌধুরী-সহযোগী অধ্যাপক গণিত বিভাগ, আবু তাহের-সহযোগী অধ্যাপক মনোবিজ্ঞান বিভাগ, জসিম উদ্দিন-সহযোগী অধ্যাপক ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, আবু তাহের-সহযোগী অধ্যাপক ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কর্মচারী আবদুল মতিন- অফিস সহকারী, মফিজ উল্লাহ-অফিস সহকারী, হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের আবুল হোসেন-সহযোগী অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, নুরুন নবী-সহযোগী অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, আবুল বাশার- সহযোগী অধ্যাপক উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগ, কর্মচারী মো: কবির। এ ছাড়াও চট্টগ্রাম কলেজ এবং হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে জামাত শিবিরের মদদপোষ্ট শতাধিক শিক কর্মচারীদের নামের তালিকা প্রমাণ সহ তাদের কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন। এ সময় চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের সাধারণ শিার্থী সহ অত্র দুই কলেজের ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি-

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here