ছাত্ররাও যুক্ত হলেন রিপেয়ার বাংলাদেশ’র ক্লিন সিটি মিশনে

    0
    5

    রাউজানটাইমস ২৪ ডেস্ক :-

    Ctg_story_1bg_265313685স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন রিপেয়ার বাংলাদেশের ক্লিন সিটি মিশনে এবার যুক্ত হলেন ছয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও। ঝাড়ু হাতে রাস্তায় নামেন তারা। ধুলোবালি আর দুর্গন্ধ উপেক্ষা করে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের সচেতন করেন তারা। কুড়িল ফ্লাইওভার ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে সম্প্রতি পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পর শুক্রবার রিপেয়ার বাংলাদেশ নগরীর আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল এলাকা থেকে শুরু করে ক্লিন সিটি মিশন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন রিপেয়ার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত কর কমিশনার মো. বজলুল কবির ভূঁইয়া।
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটি, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যায়, সরকারি সিটি কলেজ, মোস্তফা হাকিম ডিগ্রি কলেজ, আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ, কলকাকলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ আড়াই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়েছেন। পথশিশু থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, কোটিপতি, সরকারি চাকুরে সবাই একসাথে কাজ করেছেন। প্রখর রোদ, লজ্জা কিছুই বাধা হতে পারেনি। টনে টনে বর্জ্য জড়ো করলেন, স্তূপ করলেন তারা।  বজলুল কবির ভূঁইয়া বলেন, আমরা লক্ষ করেছি সিডিএ আবাসিক এলাকার অলিগলি, নালা-নর্দমায় প্রচুর বর্জ্য–আবর্জনা জমে আছে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ যেমন ঘটছে তেমনি রোগব্যাধিও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আমরা প্রথমে ২ ‍হাজার প্রচারপত্র ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি। যাতে বাসিন্দারা সচেতন হন। ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলেন। অভিযান চলাকালে আমরা যেসব বাড়ির আঙিনা ও আশপাশে এবং দোকানের সামনে ময়লা দেখেছি সেগুলো পরিষ্কার করে দিয়েছি। একই সঙ্গে তাদের বলেছি, তিন মাস পর আমরা আবার এসে দেখবো। তখন যদি অপরিষ্কার-নোংরা পরিবেশ দেখা যায় ম্যাজিস্ট্রেটকে বলে জরিমানা, কারাদণ্ড ইত্যাদি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবীদের বাইরে আমরা ৩০ জন দিনমজুরকে কাজে লাগিয়েছি। তারা যেখানে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা যেতে পারেন না সেখানে গিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ করে স্তূপ করে রাখছে। এরপর রাতে সিটি করপোরেশনের বর্জ্যবাহী ট্রাক এসে সেগুলো নিয়ে যাবে।  তিনি বলেন, পলিথিন-প্লাস্টিক জাতীয় বর্জ্যই বেশি পেয়েছি আমরা। এগুলো অপচনশীল হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে পরিবেশের। পলিথিনের কারণে নালা-নর্দমার স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে। এর বাইরে ইটের টুকরা, পরিত্যক্ত কাপড়, ডাবের খোসা, গৃহস্থালি বর্জ্য, কাচের বোতল, ভবন নির্মাণকাজের বর্জ্য ইত্যাদিও পেয়েছি। অভিযানে অংশ নেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এইচএম সোহেল, সালেহ স্টিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক ইকবাল প্রমুখ।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here