eCommerce এর ইতিহাস এবং বাংলাদেশে eCommerce এর প্রভাব

    0
    8

     

    e-commerce key on a white keyboard closeup. E-commerce concept image.

    ইকমার্স (eCommerce)  সাধারনত পরিচিত ইলেক্ট্রনিক কমার্স হিসেবে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে বলতে হবে ইলেক্ট্রনিক কমার্স বা ইলেক্ট্রনিক ব্যাবসা।  ইকমার্স (eCommerce)   মুলত একটি  কম্পিউটার কিংবা অন্যান্য ডিভাইসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে পন্য বা সার্ভিস ক্রয় বিক্রয় করাই হচ্ছে।ইকমার্স (eCommerce) । একটি পরিপুর্ন ইকমার্স সাইট হচ্ছে যেখানে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেকোন স্থান থেকে ক্রয় করতে পারবেন এবং  ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে পেমেন্ট প্রদান করতে পারবে।  সবশেষে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কাংক্ষিত পণ্যটি পেয়ে যাবেন।  ইদানিং মোবাইল কমার্স, সোসাল কমার্স, এফকমার্স ইত্যাদি দেখা যাচ্ছে যারা সকলেই ইকমার্স (eCommerce) এর একটা অংশ হয়ে দাড়িয়েছে।

     

    ইকমার্স (eCommerce)  সাধারনত পরিচিত ইলেক্ট্রনিক কমার্স হিসেবে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে বলতে হবে ইলেক্ট্রনিক কমার্স বা ইলেক্ট্রনিক ব্যাবসা।  ইকমার্স (eCommerce)   মুলত একটি  কম্পিউটার কিংবা অন্যান্য ডিভাইসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে পন্য বা সার্ভিস ক্রয় বিক্রয় করাই হচ্ছে।ইকমার্স (eCommerce) । একটি পরিপুর্ন ইকমার্স সাইট হচ্ছে যেখানে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেকোন স্থান থেকে ক্রয় করতে পারবেন এবং  ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে পেমেন্ট প্রদান করতে পারবে।  সবশেষে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কাংক্ষিত পণ্যটি পেয়ে যাবেন।  ইদানিং মোবাইল কমার্স, সোসাল মিডিয়া কমার্স যেমন এফকমার্স, ইকমার্স (eCommerce) এর একটা অংশ হয়ে দাড়িয়েছে।

      ইকমার্স (eCommerce)  বিজনেস মডেলঃ

    1. B2B (Business to Business): ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে ইকমার্স (eCommerce)  যে ট্রান্সেকশন। যেমন http://www.alibaba.com এখানে মুলত পন্য সার্ভিস কেনা বেচা হয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে।এখানে কোন কঞ্জিউমারের সাথে ট্রান্সেজশন হয়না।2.B2C (Business to Consumer): সরাসরি কঞ্জিউমারের কাছে পন্য বা সার্ভিস বিক্রি করা হয়।যেমন যেমনঃ BrandBazaarBD.com, LessPriceBD.com, SmileZone.com.bd যদিও এটাকে B2B2C বলা যায় কারন এই সাইট গুলো মার্চেন্ট বা ভেন্ডর থেকে কালেক্ট করে কঞ্জিউমার কে সরবরাহ করেন, তবে B2C বলা যায়। নিজেরদের উৎপাদিত পন্য কঞ্জিউমারের কাছে সরাসরি পৌঁছে দিলে সেটা B2C। যেমন rupkothajamdani.com3. C2C (Consumer to Consumer): মার্কেটপ্লেস যারা শুধু ট্রাফিক বা ভিসিটর এনে দেন।ভিসিটররাই পন্য ক্রয় বিক্রয় করেন। এই ধরণের বিজনেস মডেলে একটা সাইট যা মার্কেটপ্লেস হিসেবে থাকেন, কসজিউমাররাই ক্রয় বিক্রয় করে। কঞ্জিউমার থেকে কঞ্জিউমারদের মধ্যে। যেমন Ebay.com , kaymu.com.bd

    4.C2B (Consumer to Business): কঞ্জিউমার যখন কোন মার্কেটপ্লেসে তার সার্ভিস সেল করেন। যেমন odesk.com

    e-commerce

    eCommerce এর ইতিহাসঃ

    • ১৯৭১ মতান্তরে ১৯৭২ সালে ARPANET ব্যবহার করে মারিজুয়ানা বিক্রি হয় স্ট্যানফোর্ড আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট ল্যাব এর স্টুডেন্টদের সাথে ম্যাসাচুসেট ইন্সটিটিউট অফ টেকনলজির স্টুডেন্টদের মধ্যে।
    • ১৯৭৯ সালে মাইকেল অলড্রিচ প্রথম অনলাইন শপিং এর ডেমো দেখান।
    • ১৯৮১ সালে থমসন হলিডে ইউকে ইনস্টল করে প্রথম বিজনেস টু বিজনেস অনলাইন শপ…
    • ১৯৮২ সালে ফ্রেঞ্চ টেলিকম কোম্পানী মিনিটেল তাদের অনলাইন অর্ডার নেয়া শুরু করে।
    • ১৯৯০ সালে WWW এর জনক টিম বার্নারস লি প্রথম ওয়েব ব্রাউজার শুরু করে যা ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে পরিচত।এর ফলে ইন্টারনেট জগতে বিপ্লব সুচনা হয়,অনলাইন শপিং বা ইকমার্স (eCommerce)  যাত্রা শুরু করে।
    • ১৯৯২ সালে বুক স্ট্যাকস আনলিমিটেড বুকস ডট কম নামে প্রথম ইকমার্স (eCommerce)  শুরু করে অনলাইন পেমেন্ট প্রসেসিং ব্যবহার করে।
    • ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করে চায়নার ইকমার্স (eCommerce)  জায়ান্ট আলিবাবা গ্রুপ।
    • ২০০০ সাল মতান্তরে ১৯৯৮ বা ১৯৯৯ সালে আমাদের দেশ বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে ইকমার্স (eCommerce)  সাইট,নাম মুন্সিজি ডট কম।
    • ২০০১ সাল।আলিবাবা ডট কম লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়।
    • ২০০৩ সালে আমাজন প্রথম লাভের মুখ দেখে এবং তারা প্রথম বাৎসরিক প্রফিট ঘোষনা করে।
    • ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইকমার্স (eCommerce)  সাইট এখনি ডট কম এবং আজকের ডিল ডট কম।
    • ২০১২ সালে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ইকমার্স (eCommerce)  সাইট রকমারি ডট কম।ফেসবুক থেকেও শুরু হয় ইকমার্স (eCommerce) এর মত করে অনলাইন শপিং।ছোট ছোট উদ্যক্তারা ফেসবুক কমার্স থেকে ইকমার্স (eCommerce) এ ধাবিত হন।
    • ২০১৪ তে ইকমার্স (eCommerce)  বেশ জনপ্রিয়,কুরিয়ার সার্ভিস,পেমেন্ট গেটওয়ে সহ ইকমার্স (eCommerce) দের জন্য দরকারী অনেক ইনফ্রাস্টাকচার ছাড়াই ইকমার্স (eCommerce)  এগিয়ে যেতে থাকে।বাইরের কোম্পানী গুলো বাংলাদেশে মিলিয়ন ডলার ইনভেস্টের প্রতিযোগিতায় নেমে পরে।

      বাংলাদেশে ইকমার্স (eCommerce) :

    বাংলাদেশের ইকমার্স নিয়ে কিছু বলতে হলে শুরুতেই বলতে হবে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ  ( বা ই-ক্যাব / eCAB )   নামক সংগঠনটির কথা।  আজ এই ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ  ( বা ই-ক্যাব / eCAB )   নামক সংগঠনটির এর কল্যানে বাংলাদেশে ইকমার্স  একটি বছরে এগিয়ে গিয়েছে বহুদূর।  গেল একটি বছরে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ  ( বা ই-ক্যাব / eCAB ) সংগঠনটি বাংলাদেশের ইকমার্স (eCommerce) ব্যবাসায়িদের জন্য নিরলস ভাবে শ্রম দিয়ে গিয়েছে।  বাংলাদেশে ইকমার্স (eCommerce) উন্নায়নের জন্য নতুন ইকমার্স উদ্যোক্তাদের পরামর্শ, দিক নির্দেশনা, ট্রেনিং সহ অনেক ধরনের সুবিধা দিয়েছে।
    ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ  ( বা ই-ক্যাব / eCAB )   নামক সংগঠনটির গেল বছরটিতে  নতুন ইকমার্স উদ্যোক্তাদের শুধু পরামর্শ, দিক নির্দেশনা, ট্রেনিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না বরং নতুন এবং তরুন ইকমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য ইকমার্সের জটিল কিছু সমস্যার সমাধান করেছে। এর মধ্যে অন্যতম উল্লেক্ষ্য কিছু প্রদক্ষেপঃ১)  ই-ক্যাব এর কল্যানে bKash Limited এর সাথে ই-ক্যাব মেম্বারদের মার্চেণ্ট একাউন্ট করে দেওয়া।
    ২)  ইকমার্স সাইটগুলোর জন্য প্রোডাক্ট ডেলিভারির সমস্যা সমাধানের জন্য সমাধান খুঁজে করে দেওয়া।
    ৩)  নতুন পুরাতন  ইকমার্স উদ্যোক্তাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা।
    ৪)  মেম্বারদের সাথে নিয়মিত মিটিং, আড্ডা, গেট টু গেদারের মাধ্যমে সকলকে অনুপ্রানিত করা।
    ৫)  ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত তরুন ইকমার্স উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দেওয়া।
    ৬)  ই-ক্যাব সদস্যদের কম খরচে পেইজা’র মাধ্যমে লেনদেনের সুবিধা প্রদান করা।
    ৭)  ফেইসবুক পেইজ, গ্রুপ এবং ব্লগ তিনটি প্লাটফোর্মের মাধ্যমে সকলকে সংঘটনটির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা।e-commerce

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here