হালদার ডিম সংগ্রহকারীদের হ্যাচারি মালিকদের মাথায় হাত

    0
    17

    এস.এম.ইউসুফ উদ্দিন :
    ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে হালদা ও কর্ণফুলির তীরবর্তি চট্টগ্রামের রাউজানের বাসিন্দাদের জীবন যাত্রা অনেকটা স্তবির হয়ে পড়েছে। প্রবল জলোচ্ছাসে তলিয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে রাউজানের শত শত ঘরবাড়ি ও রাবার বাগান। এতে ব্যাপক তিগ্রস্ত হয়েছে তাদের। এছাড়াও তীব্র ঝড়ো হাওয়ায় উপজেলার পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামে ঘরবাড়ি ও কয়েক হাজার গাছপালা উপড়ে উপড়ে পড়ায় এখনো স্বাভাবিক হয়নি এখানকার বসবাসকারীদের জীবন যাত্রা। হলদিয়া ও রাউজান রাবার বাগানের গাছ গুলোও উপড়ে পড়ে ব্যাপক তি সাধিত হয়েছে। একইভাবে তলিয়ে গেছে হালদা থেকে আহরন করে ডিম থেকে রেনু উৎপাদনকারী হ্যাচারি গুলো। মা মাছের ডিম সংগ্রহকারীদের মাঝে নেমে এসেছে চরম হতাশা।
    Raozan Sorok Jogajog offজানা যায়, উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত কর্ণফুলি ও হালদা নদী। এতে উভয় নদীর তীরবর্তী কয়েক হাজার মানুষের ঘর বাড়ি বিধ্বস্থ হয়ে যায়। বিদ্যুতের খুটি ও তার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উপজেলার অনেক গ্রামে গতকাল সোমবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা যায়নি। এ  উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের প্রায় সবকটি সড়কের নাজুর অবস্থা। বন্ধ রয়েছে নোয়াপাড়া-কচুখাইন ও মোকামী পাড়া সড়কের গাড়ী চলাচল। উপজেলায় অন্তত কয়েক কোটি টাকা তি সাধিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। বেশি তিগ্রস্ত হয়েছে সম্প্রতি হালদা থেকে কয়েক দফা ডিম সংগ্রহকারীদের হ্যাচারি। ডিম আহরনকারিদের একজন আনোয়ার জানান, আমরা এতদিন ডিম সংগ্রহ করে যেই আনন্দ পেয়েছি তা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগেই শেষ হয়ে আমরা নি:স্ব হয়ে গেছি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দিপেন কান্তি দাশ জানান, এবারের মা মাছের ডিম সংগ্রহকারীদের অনেকে এখন মাথায় হাত দিয়েছে। তাদের উৎপাধিত ডিম হ্যারিতে ফুটাতে গিয়ে রোয়ানুর জলোচ্ছাসে সব নষ্ট হয়ে গেছে।
    এ প্রসঙ্গে নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব দিদারুল আলম বলেন, সবচেয়ে বেশি তিগ্রস্ত হয়েছে আমার ইউনিয়নের হালদা পাড়ের মোকামী পাড়া, কচুখাইন, সামমাহালদার পাড়া ও ছামিদর কোয়াং, উভলং গ্রাম।  এ গ্রাম গুলোর সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ন বন্ধ রয়েছে।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here