বাবুল আক্তারকে মিতু হত্যা মামলার তদন্তভার দেওয়ার দাবি

    0
    29

    সাহসী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকেই মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মিতু হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনের বক্তারা।

    শুক্রবার (১০ জুন) বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মিতু হত্যাকাণ্ডের পরপরই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইভেন্ট খুলে এ মানববন্ধনের প্রচারণা চালানো হয়। কয়েকশ তরুণ-তরুণীসহ নানা বয়সী মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেন।

    13432142_1106834546039991_5771011622427888563_nমানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু, সামাজিক সংগঠন ময়ূরাক্ষীর তফজ্জল নিপু, আলো দেখাবোই’র স্বপন মোল্লা, স্বপ্ন ও আগামী’র মো. ইব্রাহিম, লিও মেহবুব আলী, ইসমাইল আজাদ, চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক পরিষদের এসএম ফরিদুল আলম, হৃদয়ে বায়ান্ন’র মো. মুবিন, হাটহাজারী কলেজের সাবেক ভিপি খোরশেদ আলম, জাহেদুল ইসলাম, পূর্বাশার আলো’র ফয়সাল বিন কাসেম, ডা. আরকে রুবেল, মো. নুরুল হুদা, পুলিশ পরিবারের পক্ষে তারেক আজিজ, সৈয়দ মনসুর আলম, শফিক সোহাগ প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন মানববন্ধনের উদ্যোক্তা এহসান বিন দিদার।

    বক্তারা বলেন, পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডের পর এক সপ্তাহ হতে চলছে অথচ পুলিশ প্রকৃত খুনিদের জাতির সামনে হাজির করতে পারেনি। এর থেকে পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা যেমন কমছে তেমনি মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে। এ অবস্থায় এ জনপদের মানুষ বিশ্বাস করে, সাহসী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকেই মিতু হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার দিলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য যেমন দ্রুত উন্মোচিত হবে তেমনি খুনিরাও ধরা পড়বে।

    তারা অবিলম্বে মিতু হত্যা মামলার তদন্তভার পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে দেওয়ার দাবি জানান।

    এদিকে, মানববন্ধন চলাকালে জঙ্গি সন্দেহে এক যুবককে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। ওই যুবক রিকশা চালিয়ে বেশ কয়েকবার মানববন্ধনের সামনে দিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। কোতোয়ালি থানার এএসআই তোজাম্মেল হক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বাংলানিউজকে জানান, ফুল প্যান্ট ও গেঞ্জি পরা ওই যুবকের পিঠে ব্যাগ ছিল। রহস্যজনক আচরণ করছিলেন ওই রিকশাচালক। এরপর স্থানীয় কয়েকজন তরুণ ওই রিকশাচালককে আটক করে টহল পুলিশের সোপর্দ করে। এ সময় ব্যাগ তল্লাশি করে পুলিশ কিছু না পেলেও রিকশার যাত্রী বসার গদির নিচে দুটি ছোরা, একটি পেন ড্রাইভ পাওয়া যায়। এ সময় ওই রিকশাচালক নিজের বাড়ি টাঙ্গাইল বলে জানালে অন্যান্য প্রশ্নের উত্তরে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here