রাউজানে আমন রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

    0
    5

    এম জাহাঙ্গীর নেওয়াজ : রাউজান উপজেলায় এখন কৃষকরা পুরোদমে শুরু করেছে আমন ধান রোপন। চলতি মৌসুমে শুরুতেই তুলনা মুলক বৃষ্টি কম হওয়ায় পানি সংকট হলেও এখন বৃষ্টি পাত হওয়ায় কৃষকদের মাঝে ধুম পড়েছে ধান রোপনে। তবে কোন কোন এলাকায় অপরি কল্পিত বাড়ী ঘর নির্মান করায় পানি নিষকাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে পড়েছে। এত চাষাবাদ অনুপযোগি হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে অনেক জমি। এদিকে কৃষকদের অভিযোগ চাষাবাদে জমির করনিয় সর্ম্পকে জানতে মাঠ পর্যায়ে থাকা উপ সহকারি কৃষি অফিসারদের খুজে পাওয়া যায় না। অনেকেই জানেন না ইউনিয়ন পর্যায়ে উপ সহকারি কৃষি অফিসার রয়েছেন। তবে এবার সার, বীজ ও ডিজেলের দাম নিয়ে কারো কোন অভিযোগ নেই কৃষকদের কন্ঠে। কৃষকরা যাতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসল ফলাতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করেছে বর্তমান সরকার, কমিয়েছে পাওয়ার টিলারে ব্যবহৃত ডিজেলের দামও। এসব সুযোগ সুবিধা রাউজানের কৃষিজীবিরাও ভোগ করছেন। ফলে এবার স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমন রোপন করছেন বলে জানান এখানকার কৃষকরা। তারা বলেছেন উচ্চ ফলনশীল এই ধানের চারা রোপনের উপযুক্ত সময় জুলাই থেকে 11888061_540589429429360_8992430854159534854_nআগস্ট পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। সে হিসেবে আমন রোপনের উপযুক্ত সময় চলছে। তাই সকলে আমন রোপনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্র মতে, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় সর্বোচ্চ ১২ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে আমন চাষাবদ হয়। এবার আমন চাষের বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা ছিল উফসী ৭৫০ হেক্টর ও স্থানীয় ৪৫ হেক্টর। এর মধ্যে উফসী ৬৫০ ও স্থানীয় ২০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় উফসী ১১০৭৫ হেক্টর ও স্থানীয় ২৩৫ হেক্টর। ইতিমধ্যে ৫৫০ হেক্টর আবাদ হয়েছে। বাকী জমিগুলোতে আমন আবাদ পক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি ৮০ হেক্টর জমিতে শরৎকালীন শাক-সবজিও আবাদ হয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কখনো গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, আবার কখনো রোদ এবং মেঘের লুকোচুরি খেলা উপেক্ষা করে আমন রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। উপজেলা জুড়ে যেদিকে চোখ যায়, সেদিকে আমন রোপনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কৃষকরা। কয়েকদিন ধরে এখানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নেই পানি সংকট। এটিকে কাজে লাগিয়ে আবাদ সাড়তে কোমড় বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন সকলেই। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খালগুলো খনন করে সেচ সুবিধা, উন্নত চাষাবাদের জন্য যন্ত্রপাতি প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সার-বীজ প্রদানের মাধ্যমে পুনবাসন করা, স্বল্প খরচে চাষাবাদের জন্য সব অধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদানসহ স্বল্প মূল্যে ৩০ টি পাওয়ার টিলার বিতরণ, প্রতিটি ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা দামের ধান কাটার যন্ত্রসহ বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করেছেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here