জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

    0
    17

    রাউজানটাইমস ২৪ ডেস্ক :-

    Salimবাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি বাঙ্গালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অধ্য আল্লামা হাফেয মুহাম্মদ সোলায়মান আনসারীর সভাপতিত্বে মাওলানা হাফেয মুহাম্মদ আনিসুজ্জামানের সঞ্চালনায় জামেয়া ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জামেয়ার সম্মানিত শিকমন্ডলী ও শিার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন সর্বজনাব আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি সৈয়্যদ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান, মাওলানা মুফতি কাজী মুহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ.প্রফেসর মুহাম্মদ আবুল কাশেম, মাওলানা সৈয়্যদ আবু তালেব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, মাওলানা আবুল হাশেম শাহ চৌধুরী, মাওলানা রেজাউল করিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা কাজী মুহাম্মদ ছালেকুর রহমান আলক্বাদেরী, মাওলানা মুহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন, মাওলানা আবু তাহের মুহাম্মদ নূরুল আলম, মাওলানা মীর মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, মাওলানা গোলাম মোস্তফা মুহাম্মদ নূরুন্নবী, শেখ মঈনুল হক চৌধুরী, মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াছ, মাওলানা মুহাম্মদ জিয়াউল হক, মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ আবু তাহের, এস,এম,দিদারুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মদ তারেকুল ইসলাম, মাওলানা ক্বারী মুহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল গফুর রেজভী, মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ ইউনুছ রেজভী, মুহাম্মদ আমজাদ হুসাইন, মাওলানা ক্বারী মুহাম্মদ ইব্রাহীম, মাওলানা আতাউর রহমান নঈমী, মাওলানা মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
    বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধুর জীবনের সবচেয়ে অনুকরণীয় ও শিনীয় বিষয় হচ্ছে তিনি ছিলেন নিখাদ দেশপ্রেমিক ও সম্মোহনি নেতৃত্বের অধিকারী বাঙ্গালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা। বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন বিষয়। তাঁর জন্ম হয়েছিল বিধায় আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিদ্যমান। তিনি একজন খাটি ধর্মানূরাগী মুসলামান হিসাবে বাংলাদেশ মাদরাসা শিা বোর্ড,ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ও ওআইসি’র সদস্যপদ গ্রহণ করে মুসলমানদের জন্য বিরাট অবদান রেখেছেন। তাঁকে হত্যা করে বাংলাদেশকে অভিভাবক শুন্য করার য়ড়যন্ত্র করা হলেও বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে নিজ স্থান করে নিয়েছে।
    সভাপতির বক্তব্যে অধ্য আল্লামা হাফেয মুহাম্মদ সোলাইমান আনসারী বলেন- বঙ্গবন্ধুৃ শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান চিরস্মরণীয়। কোন ধর্মেই এভাবে মানব হত্যার অনুমোদন নেই। তিনি বঙ্গন্ধুর সাথে অন্যান্য শাহাদাত বরণকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পরিশেষে মিলাদ, কিয়াম, ছালাত ও সালাম পাঠান্তে আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন অধ্য আল্লামা হাফেয মুহাম্মদ সোলাইমান আনসারী ছাহেব।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here