ধুলোবালির শহরে স্বস্তি আনল ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি

    0
    4
    রাউজানটাইমস ২৪ ডেস্ক :
    প্রাচ্যের রানি, বার আউলিয়ার পুণ্যভূমিসহ অনেক বিশেষণ ছাপিয়ে সর্বশেষ ধুলোবালির শহর হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে চট্টগ্রাম শহর। সর্বশেষ সোমবার (০৬ মার্চ) সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতে ধুয়ে মুছে সাফ হলো চট্টগ্রাম। ফলে জনমনে ফিরে এসেছে স্বস্তিও।

    ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ইট, বালু, সিমেন্ট ইত্যাদি নির্মাণসামগ্রী উন্মুক্তভাবে পরিবহন ও নির্মাণাধীন সাইটে রাখার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। গত ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে জামালখানের ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিক‍া উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়ালে পোড়ামাটির শিল্পকর্মে ইতিহাস-নির্ভর ম্যুরাল উদ্বোধনকালে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছিলেন,  ধুলোবালি নগরীর সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন। ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্মাণসামগ্রী উন্মুক্ত স্থানে রাখা যাবে না। ঢেকে রাখতে হবে। পরিবহনের সময়ও ঢেকে নিয়ে যেতে হবে। এ ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হবে। এরপর জরিমানা করা হবে।

    তবে স্বস্তির পাশাপাশি সকালে অফিসগামী নারী-পুরুষ ও নিম্নআয়ের লোকজনকে সাময়িক দুর্ভোগে ফেলেছে মৌসুমের প্রথম বৃষ্টি। বিশেষ করে তৈরি পোশাক কারখান‍ার শ্রমিক, ফুটপাতের দোকানি, ছিন্নমূল মানুষ আর রিকশাচালকদের অসুবিধা হয়েছে বেশি।

    কাজীর দেউড়ি মোড়ে টেম্পুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন বৃদ্ধা সঞ্জয় দাশ। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, খনা বলেছে ‘যদি বর্ষে ফাগুনে, চিনা কাউন দ্বিগুণে’। কিন্তু এ বৃষ্টি মনে হচ্ছে উপকারীই হবে চট্টগ্রামের কৃষকদের জন্য।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here