রাউজানে খাদ্যের সন্ধানে গ্রামীণ জনপদে বন্যপাখি

    0
    10

    এম জাহাঙ্গীর নেওয়াজ
    বনের পশু পাখিরা প্রতিদিন আশ্রয় স্থল হারাচ্ছে খাদ্যের সন্ধানে আসছে গ্রামীন জনপদে। ঝোপ ঝাড়ে আশ্রয়ে থাকা এসব প্রাণির জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হচ্ছে ঝোপজঙ্গল। প্রাণিকুল বেঁচে থাকার অবলম্বন গাছের ফলমুল আর জলাশয়ের ছোট মাছ আর পোকা মাকড়। পরিবেশবাদীরা বলেছেন এখন পাহাড় টিলা আর গ্রামীণ জনপদে নিবিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে ঝোপঝাড়। উদ্বেগজনক হারে কমে গেছে ফলজ গাছ। প্রতিনিয়ত এ সব বনজঙ্গল নিধন ও জলাশয়ে মাছ চাষ ও কৃষি জমিতে উর্ব্বরতা বৃদ্ধিতে বেড়ে গেছে রাসানয়নিক দ্রব্যের ব্যবহার। একারণে নিদিষ্ট শ্রেণির মাছ ছাড়া ছোট ছোট প্রজাতির মাছ পোকামাকড় মরে নিঃবংশ হচ্ছে।এলাকার জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঝোপ জঙ্গলে বসবাস কারী বন্য প্রাণি গুলো এখন খাদ্যের সন্ধ্যানে লোকালয়ের দিকে এগুছে। বনের এই পশু পাখি খাদ্য না পেয়ে লোকালয়ে এসে মানুষের বাড়ী ঘরের হাঁস মুরগি মেরে খাচ্ছে। বক ও নানা প্রজাতির পাখি ছোট মাছ ও পোকার উপর নির্ভরশীল এই ধরনের অনেক পাখি এখন খাদ্যাভাবে সংকটে পড়েছে। রাউজানের বিভিন্নস্থানের জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায়, খাদ্যের সন্ধানে পাহাড় জঙ্গল থেকে নেমে আসা ছোট বড় অজগর সাপ বিভিন্ন সময় ধরা পড়ে মারা যাচ্ছে। বন জঙ্গলে খাদ্যের অভাবে চুটে আসছে হনুমান এ সব বন্য প্রাণির উৎপাতে অনেক পরিবার হাঁস মুরগি পালন বন্ধ করে দিয়েছে খেয়ে ফেলছে নানা ফলমুল। ওসব প্রাণির আক্রমনের শিকার হচ্ছে গরু বাছুর আর ছাগল নষ্ট করছে সবজি খেত। এক সময় প্রতিটি অঞ্চলে বড় বড় দিঘী বড় বড় পুকুর ডোবায় ছিল ভরপুর পাওয়া যেত নানা প্রজাতির মাছ ,বড় বড় বাশঁঝাড় বাস করত শত শত বকের ঝাক, চারিদিকে পাখিদের কিছিমিচি ডাক,এখন এসব পুকুর জলাশয় ভরাটের কারনে বিলুপ্ত হয়েগেছে অনেক প্রজাতির মাছ।খাদ্য অভাবে ভুগছে পশু পাখি হারিয়েছে আশ্রয় স্থল তাই নেমে পড়ছে লোকালয়ে।
    গ্রামীণ জনপদ ঘুরে দেখা গেছে বিল ডোবা আর পুকুর জলাশয়ের ছোট মাছ খেয়ে বেঁচে থাকা বক এখন শুকনা খড়খুটোয় বসে পোকা মাকড় খুঁজে বেড়ায়। কাঠ বিড়ালী ঘরে প্রবেশ করে তরিতরকারী নিয়ে যাচ্ছে। বন জঙ্গলে খাদ্যের অভাবে চুটে আসছে হনুমান উদব্যেগ জনক হারে বেড়ে চলেছে কুকুরের দল এগওলোর অনিষ্ট থেকে রক্ষাপাছেনা গরু বাছুর আর ছাগল হাঁস মুরগি। বনের পশু পাখিরা এই ধরনের সংকটে পড়ার এক মাত্র কারণ অপরিকল্পিত ভাবে বন জঙ্গলের গাছ নিধন গাছের ফলমুল কমে যাওয়া আর পুরানো জলাশয় ভরাট হয়ে যাওয়ার ফলে প্রযাপ্ত মাছ কমে যাওয়া জমিতে রাসানয়নিক দ্রব্যের ব্যবহার হওযার কারনে ছোট মাছ আর পোকা মাকড় কমেযাওয়ার কারনে বনের পশু পাখিরা এই ধরনের সংকটে পড়ার এক মাত্র কারণ বলে মনেররেন পরিবেশবাদীরা। প্রাণির কুলের এই সংকট প্রসঙ্গে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন রেজা বলেন এই সংকট মোকাবেলায় রাউজানের সাংসদ গত কয়েক বছর আগে থেকে প্রতিটি এলাকায় ফলজ গাছ লাগানো কাজ শুরু করেছেন। এই বর্ষার মৌসুমে চার লাখ গাছে চারা রোপন করার তাঁর কর্মসূচি রয়েছে। বর্তমানে রাউজানের কৃষিজীবিরা রাসায়নিক দ্রব্যে ব্যবহার একেবারেই কমিয়ে দিয়েছেন বলে তিনি জানান।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here