মাটিরাঙায় সুফিয়া বেগমের বয়স ১১৯ হলেও পাইনি কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা

0
30

হারাধন কর্মকার,রাজস্থলী।

খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়নের অন্তর্গত কুমিল্লা টিলা গ্রামে বসবাস রত অসহায় এক পরিবার সুফিয়া বেগম( ১১৯) স্বামী মৃত- মহরম আলী । স্বামী অনেক আগেই মারা গেছেন । সম্পত্তি বলতে তেমন কিছু নেই। স্বামী রেখে গেছেন ছনের একটি কুঁড়েঘর। সেই কুঁড়েঘরেই ৪০ বছর ধরে বসবাস করছেন এই বৃদ্ধা মহিলা । পাশে আছেন তার একটি মাত্র মেয়ে ।রোদ বৃষ্টি ঝড়ে মা-মেয়ে দুজনেই খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করেন কখন আল্লাহ তাদের সুন্দর একটি থাকার ব্যবস্থা করে দিবেন। কখন তাদের অসহায়ত্বের দুঃখ দূর হবে।

 

জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনের কেউ কি অজ পাড়াগাঁয়ের অসহায় বৃদ্ধা মহিলার করুণ কান্না কি শুনতে পারেনা। বিভিন্ন কথায় অকপটে বলে ফেললেন সুফিয়ার মেয়ে। মনোয়ারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন আমি যখন যা পাই তাই করি। দিনমজুরি করে আমার সংসার চালাই। সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা বলতেই কিছুই আমরা পাচ্ছি না। গরিবের জন্য ঘর আসলেও সেই ঘর পাচ্ছে পয়সাওয়ালারা। আমরা অসহায় বলে ঘর পাইনা । বয়স্ক ভাতা কেন পাচ্ছে না জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা অনেকবার স্থানীয় মেম্বার জনপ্রতিনিধির নিকট গিয়েছি তারা আমাদের কথা শুনেন না যদিও বা শুনেন পরে আশিয়েন বলে বিদায় করে দেয়। এলাকাবাসী মনে করেন অতিসত্বর অসহায় পরিবারটির পাশে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাঁড়ানো উচিত বলে মনে করেন। ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি আবুল হাসেম মেম্বার বলেন আসলে সুফিয়া বেগম একজন প্রকৃত অসহায় পরিবার তার জীবন বাঁচার তাগীদে সরকারি সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন।তবলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি তবে বরাদ্দ সল্পতার কারনে সকলকে এক সাথে সহযোগিতা করা সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানান। পরিশেষে একটি মুজিব বর্ষের স্বপ্নের ঠিকানা সেমি পাকা ঘরের স্বপ্ন দেখছে অসহায় সুফিয়া বেগম। তিনি সরকারি সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here