দীর্ঘ দেড় বছর পর খুলেছে রাউজানের স্কুল-কলেজ

0
38

মো. রায়হান । রাউজানটাইমস :

। রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালেই রাউজানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের জন্য। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ভয় ও শঙ্কাকে পেছনে রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুয়ারে হাজির হয় শিক্ষার্থীরা।

আবারও বেজে ওঠে স্কুলের ঘণ্টা। এ যেন প্রাণের স্পন্দন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীরা এক এক করে স্কুলে ঢোকে।

এরপর দূরত্ব বজায় রেখে ক্লাসরুমে বসানো হয় শিক্ষার্থীদের।

এদিকে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরতে পেরে উচ্ছ্বাস আর আনন্দে মেতে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। ক্লাসে বসতে পেরে জানিয়েছে সুখকর অনুভূতির কথা।

রাউজান সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী বড়ুয়া জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে তাদেরকে মাস্ক পড়ে, হাত ধুয়ে এবং শারীরিক দূরত্ব মেনে শ্রেণিকক্ষে বসতে হচ্ছে। এরপরও দীর্ঘদিনের ব্যবধানে কলেজে ফিরতে পারায় তারা খুব খুশি। দূর থেকে হলেও সহপাঠী ও শিক্ষকদের সঙ্গে অনেকদিন পর দেখা হয়েছে। এভাবে নিয়ম মেনে ক্লাস না হলে তাদের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়া যাবে বলে মন্তব্য করে এই শিক্ষার্থী।

তবে ক্লাসে ফেরার আনন্দ কেবল শিক্ষার্থীদেরই নয়; সমানভাবে উচ্ছ্বসিত শিক্ষকরাও। দীর্ঘ সময়ের করোনা মহামারিতে নিম্নমুখী হওয়া শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে আবারও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফিরতে পারার ভিন্ন অনুভূতির কথা জানিয়েছেন শিক্ষকরাও। শিক্ষকরা বলছেন, মহামারি পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফিরছেন তারা। ক্লাসে ফেরার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের একঘেয়েমিতা, হতাশা আস্তে আস্তে কেটে যাবে। সরকারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন তারা।

রাউজান সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিম নেওয়াজ চৌধুরি বলেন, সকাল থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুশৃংখলভাবে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করানো হয়েছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে পাঠদান। তবে প্রথম দিন করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় ফিরে আসার ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন করা হচ্ছে। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে সময় উপযোগী বলে উল্লেখ করেন। আর এজন্য সরকারি সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here